গর্ভবতী ভাতা অনলাইন আবেদন – ইউপির মাধ্যমেই আবেদন করতে হবে এটি অনলাইনে এন্ট্রির মাধ্যমে অর্থ মঞ্জুরী আনা হয়– গর্ভবতী কার্ড ২০২
অনলাইনে গর্ভবতী কার্ড করার নিয়ম ২০২২– জুলাই মাসে গর্ভবতী থাকা অবস্থায় মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করতে হয়। মেডিকেল রিপোর্ট এবং জাতীয় পরিচয়পত্রসহ গর্ভবতী প্রমানকসহ ইউপি বা পৌরসভায় আবেদন ফরম পূরণের মাধ্যমে গর্ভবতী ভাতা বা কার্ডের জন্য আবেদন করতে হয়। এ ভাতা প্রাপ্তির শর্তপূরণ করে আবেদন করলেই কেবল এ ভাতা মঞ্জুর করা হবে। চলতি মাসে পূর্বে আবেদনকৃত গর্ভবতী ভাতা (২০২১-২২) বা ভাতার অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। আপনার ভাতার জন্য এখনই যোগাযোগ করুন।
গর্ভবতী ভাতা বা দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি অনুযায়ী আপনি ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জনের জন্য দারিদ্র সীমার নিচে জীবন নির্বাহ করতে হবে। গর্ভবর্তী হলেই এই ভাতা পাওয়া যাবে এমনটা নয়। ভাতাভোগী নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিটি বিভিন্ন ক্রাইটেরিয়া বিবেচনা করে আবেদন অনুমোদন করে থাকে। তাই আবেদন করছেন মানেই আপনি মাতৃত্বকালীন ভাতা পাবেন বিষয়টি এমন নয়। গর্ভবতী মায়ের সরকারি ভাতা ২০২২
প্রতারণা থেকে সাবধান- যেহেতু গর্ভবতী ভাতা নগদ অর্থ প্রদান করা হয় তাই প্রতারক চক্র এ সময় সক্রিয় থাকে। অবার এ কার্ডটি গর্ভবতীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধায় প্রতারকগণ টাকা নেয়ার কথা বলে কোন কোন ক্ষেত্রে ঘুষ বা উৎকোচ নিয়ে এটি করে দেবার কথা বলে। বিষয়টি আসলে এমন নয় যে কেউ এটি করে দিতে পারবেন। সমাজসেবা অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরের সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়। তাই ভাতা কার্ড পাওয়ার পূর্বে এবং টাকা নেয়ার সময় সতর্ক থাকুন যাতে ধান্ধাবাজের পালায় না পড়েন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, হেমনগর ইউনিয়নের ২৫জন গর্ভবতী মহিলার কাছ থেকে মাতৃত্বকালীর ভাতা কার্ড করে দেয়ার কথা বলে ৬ হাজার টাকা করে ঘুষ নেয় প্রতারক জনি। বৈধভাবে কার্ড করে দিতে না পেরে স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া ভাতা পরিশোধ কার্ড তাদের হাতে ধরিয়ে দেয় সে। পরে, সরেজমিনে ওই ইউনিয়নে গিয়ে জনিকে আটক করে এ দণ্ডাদেশ দেয়া হয়।
মাতৃত্বকালীন ভাতা নীতিমালা ২০১৫ / গর্ভবতী ভাতার আবেদন ফরম ২০২২
গর্ভবতী ভাতা জন্য অনলাইন আবেদন, ভাতার মেয়াদ, অর্থের পরিমাণ ও বিতরণ পদ্ধতি ২০২২
- নির্বাচিত গর্ভবতী মা’কে ২(দুই) বছর ব্যাপী প্রতি মাসে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে ভাতা প্রদান করা হবে।(সরকারের সিদ্ধান্ত মােতাবেক ভাতার পরিমাণ হ্রাস/বৃদ্ধি হতে পারে)। বর্তমানে এ ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ করা হয়েছে।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক একাউন্ট পরিচালিত হবে। তারা ভাতার অর্থ রাষ্ট্রায়ত্ব তফসিল ব্যাংক এর মাধ্যমে ভাতাভােগীর নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে বিতরণ করবেন (৬৪টি জেলার সদর উপজেলায় জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রােগ্রাম অফিসার এ দায়িত্ব পালন করবেন)।
- গর্ভধারণ অবস্থায় গর্ভপাত ঘটলে গর্ভপাত পরবর্তী তিনমাস পর্যন্ত ভাতা অব্যাহত থাকবে। সে ক্ষেত্রে অপেক্ষমান তালিকা থেকে নতুন করে ভাতাভােগী নির্বাচন করতে হবে।
- সন্তান জন্মগ্রহণের পর দুই বছরের মধ্যে মারা গেলে সংশ্লিষ্ট মা ২৪ মাস পূর্ণ হওয়ার অবশিষ্ট সময়ের ভাতা পাবেন।
- নির্বাচিত গর্ভবতী মা দুই বছরের মধ্যে মারা গেলে তার ভাতা প্রদান বন্ধ হয়ে যাবে এবং অন্য কোন গর্ভবতী মা নতুন করে নির্বাচন করা যাবে না। তবে নির্বাচিত গর্ভবতী মায়ের বকেয়া টাকা সংশ্লিষ্ট উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার প্রত্যয়ন সাপেক্ষে বৈধ উত্তরাধিকারী (সন্তান) পাবে।
- এ কার্যক্রমের মাধ্যমে দরিদ্র মায়েরা মাতৃত্বকালীন আর্থিক সহযােগিতার পাশাপাশি মাতৃদুগ্ধ পানের উপকারিতা, গর্ভাবস্থায় উন্নত পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, প্রসব ও প্রসবােত্তর সেবা বৃদ্ধি, মা ও শিশু মৃত্যু হার হ্রাস, পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ সম্পর্কিত তথ্যাদি, মা ও শিশু নির্যাতন, যৌতুক, তালাক, বিবাহ ও জন্ম নিবন্ধন বিষয়ে সচেতন হওয়ারও সুযােগ পাচ্ছেন। এ কর্মসূচি গর্ভবতী মা ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসে সহায়তা করছে।
ইউপিতে অনলাইনে আবেদন করা যায় না?
যায় আপনি নির্ধারণ ফরম পূরণ পূর্বক গর্ভবতী ভাতার জন্য আবেদন করবেন অথবা ইউনিয়ন সেবা কেন্দ্র হতে এ আবেদন সম্পন্ন করা যাবে। ইউপিতে সমাজসেবা ডেক্স হতেও এ আবেদন অনলাইনে করা যাবে। মূলত জাল জালিয়াতি রোধে সরকার অনলাইন পোর্টালে আবেদনের মাধ্যমে এ ভাতার অর্থ মঞ্জুর, প্রেরণ ও পরিশোধ করে থাকে। দারিদ্রসীমার নিচের জনসাধারণ বা গর্ভবতীদের ও সন্তানের ভরণপোষক ও সেবার জন্যই মূলত এ ভাতা প্রদান করা হয়ে থাকে। অনলাইন সফটওয়্যারে এন্ট্রি করবে লিংক- http://103.48.16.6:8080/LM-MIS/applicant/onlineRegistration


Post a Comment
0Comments