সোনালী ব্যাংক সঞ্চয়পত্রের নতুন নিয়ম 2022 বিষয়ে আজকে আপনাদের জানাবো। একটি সামাজিক আর্থিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা হলো সঞ্চয়পত্র। যে ব্যবস্থায় ব্যবসা বা চাকরি করতে সমর্থ না এমন মানুষ সরকারি সঞ্চয় স্কীমের আওতায় মাসিক বা ৩ মাস পর পর মুনাফায় দৈনন্দিন কর্মকান্ড সচল রাখতে পারেন এই সাধারণ মানুষ। আপনি কি সোনালি ব্যাংকে সঞ্চয়ের নতুন নিয়ম খুজছেন?
ক্ষুদ্র সঞ্চয় অভ্যাস গড়তে দরিদ্র এবং সম্ভব হীন মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাই মূলত সঞ্চয়পত্র স্কীম।
সঞ্চয়পত্রে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ মুনাফা প্রদানের সুযোগ রেখেছে যা অন্য কোন ব্যাংক বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান এত মুনাফা দেয় না।
বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেয়া সোনালি ব্যাংক সঞ্চয়পত্রের নতুন নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি সব ধরনের সঞ্চয়পত্র মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে তিন মাস অন্তর মুনাফা-ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এবং পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্রের স্কিমে ৩০ লাখ টাকার বেশি কিনতে পারবেন না।
যা সর্বশেষ প্রকাশিত সঞ্চয়পত্রে নতুন নিয়ম।
বাংলাদেশ সরকার সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর এর মাধ্যমে সঞ্চয়স্কীমগুলো পরিচালিত করে থাকে।
দেশের যে কেউ লোকাল সঞ্চয় অধিদপ্তরে গিয়ে এ সঞ্চয়পত ক্রয় করতে পারে। এবং ভাঙ্গাতে পারে নির্দিষ্ট সময় পরে। তবে সঞ্চয়পত্র ক্রয়-বিক্রয় আরও সহজ করতে সরকারের রাষ্ট্রয়াত্ত ব্যাংক ছাড়াও বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর সঞ্চয়পত্র বিক্রি করছে।
ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র কোথায় কিভাবে পাওয়া যায় । সোনালি ব্যাংকের সঞ্চয়পত্রের নতুন নিয়ম
বাংলাদেশে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে সঞ্চয়পত্র পাওয়া যাবে।
আমরা জানি সোনালী ব্যাংক সঞ্চয়পত্র সাধারণত ডাক বিভাগ পোস্ট অফিসের মাধ্যমে বিক্রি করে। এছাড়াও দেশের বেসরকারি ব্যাংকের কিছু শাখা বাদে বাংলাদেশ ব্যাংকের যেকোনো শাখা হতে সঞ্চয়পত্র কেনা যায়।
এক পাতার ফরম পুরনের মধ্য দিয়ে এখন সঞ্চয়পত্র অন্য ব্যাংক ছাড়াও সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে মুহূর্তের মধ্যে ক্রয় করা যায়।
আপনি আপনার জমানো মাত্র ১০ হাজার টাকা দিয়েও সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। এক্ষেত্রে সরকার আপনাকে সর্বাধিক ১১% পর্যন্ত মুনাফা দেয়।
তবে বর্তমানে সরকার ৫% থেকে ১০% কেটে রাখছে আয়কর হিসেবে। তারপরেও ১ লক্ষ্য টাকা জমা দিলে একটি সঞ্চয়পত্রে মাসিক ৯১২ টাকা পাবে গ্রাহক গণ। তবে সঞ্চয়পত্রটি অবশ্যই পারিবারিক সঞ্চয়পত্র হতে হবে।
সোনালী ব্যাংক সঞ্চয়পত্র ক্রয় বা কেনার জন্য গ্রাহক বা ক্রেতার যা যা লাগবে তা নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
১) দুই কপি ছবি,
২) এক কপি জাতীয় পরিচয়পত্র ফরম,
৩) ১ কপি নমিনির ছবি,
৪) নমিনির জাতীয় পরিচয়পত্র।
এরপর সোনালী ব্যাংকে আপনার চেক বইয়ের একটি পাতা যেখানে সঞ্চয়পত্র এর টাকার পরিমাণ লেখা থাকবে। এক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যের সঞ্চয়পত্র হলে টিন সার্টিফিকেট লাগবে।
টিন সার্টিফিকেট এর জন্য যেকোনো কম্পিউটারের দোকানে আপনার ভোটার আইডি কার্ড গিয়ে বললেই আপনাকে বের করে দিবে টিন সার্টিফিকেট।
সর্বাধিক এবং সরবনিম্ম কত টাকার সঞ্চয়পত্র রয়েছে যা আপনি ক্রয় করতে পারবেন । সোনালি ব্যাংক সঞ্চয়ের নতুন নিয়ম
সোনালী ব্যাংক সঞ্চয়পত্রের নতুন নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি সর্বাধিক মোট ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন। আর সর্বনিম্ম ১০ হাজার টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে পারবেন যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক।
এই সঞ্চয়পত্র যেকোনো সময়ে নগদায়ন করা যায়। এছাড়াও বড় সুবিধা হচ্ছে, ব্যাংকের মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র ক্রয় করলে আপনার নির্দিষ্ট মুনাফা প্রতি মাসে অথবা নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্যাংক একাউন্তে অটোমেটিক জমা হয়ে যায়।
আগের দিনের মতো এখন আর দাড়িয়ে থেকে মুনাফা তুলতে হবে না। এমনকি মাসিক মুনাফা আপনি চাইলে ব্যাংকের চেক বা ডেভিড কার্ডের মাধ্যমেও উঠাতে পারবেন।
এজন্য বর্তমান সময়ে বলা হয়ে থাকে সহজ ও নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ হতে পারে আপনার অন্যতম বিনিয়োগ পন্থা।
[caption id="attachment_1277" align="alignnone" width="1280"]
টিন সার্টিফিকেট ছাড়া সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে ২০২২ No Need Tin For Sanchayapatra ডাকঘর সঞ্চয়পত্রসোনালী ব্যাংক থেকে সঞ্চয়পত্র ক্রয় সহজে, কি কি কাগজপত্র লাগবে ২০২২ Sonali Bank Sanchayapatra 2022[/caption]
Post a Comment
0Comments